*#Give me an educated mother, I will give you an educated nation ~Nepolean. *#Feel youself, Know yourself, you will know the world. *#Self confidence is the best power to improve. *#Education is the backbone of a nation. *#If you want to destroy a nation, destroy their all libraries. *#God is kind. *#Men is born to be free.

Monday, February 24, 2014

আগন্তুক

ঠিক এই মুহুর্তে ধ্রুব পুলের উপর বসে আছে। আর দেখছে দূরের আকাশটাকে। আকাশে ভাসমান মেঘগুলোকে দেখছে আর ভাবছে কি সুন্দর ও আশ্চর্যময় মেঘেদের জীবন! ওর ইচ্ছে করছে মেঘেদের মাঝে হারিয়ে যেতে। ধ্রুব-র মাঝেমধ্যে হারিয়ে যেতে খুবই ইচ্ছে হয়। ওর ধারণা হারিয়ে যাওয়ার মধ্যে এক ধরণের আনন্দ আছে। কেননা হারিয়ে যাওয়ার প্রথম কয়েকটি দিন সবাই তাকে খুবই খুঁজবে। অনেকেই বিশ্বাসই করতে চাইবে না যে সে হারিয়ে গেছে। কিন্তু অবশেষে কোন এক সময় এই বিশ্বাস এবং অবিশ্বাসের খেলা শেষে সবাই যে যার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়বে। সেদিন সত্যি সত্যি ধ্রুব সবার মন থেকেও হারিয়ে যাবে। এরপর হঠাৎ করে একদিন সবাইকে অবাক করে দিয়ে সবার সামনে উপস্থিত হবে। সেদিন সবাই দারুণভাবে অবাক হবে। তখন ধ্রুব হাসবে। তবে সবার সামনে হা হা হা করে নয় বরং মনে মনে সে হাসবে এবং হাসতেই থাকবে। সে হাসবে কারণ তার প্রত্যাবর্তনে যাদের স¦ার্থে আঘাত আসবে তারা তার সাথে কেমন মিথ্যে আচরণ করবে তাই দেখে সে হাসবে। হাসতে হাসতে তার পেটটা মোচড় দিয়ে উঠবে কিন্তু মুখ দিয়ে সামান্যতম শব্দও বেরুবে না। আবার যারা সত্যি সত্যিই তাকে ভালবাসে তাদের সেদিনের কান্না দেখেও তার আনন্দ হবে। কেননা ভালবাসা বিষয়টিকে ধ্রুব দারুণভাবে উপভোগ করে। মোট কথা হারিয়ে যাওয়া এবং ফিরে আসা এই দুটোর মধ্যে সে খুবই আনন্দ পাবে বলে ওর বিশ্বাস। কিন্তু আজও তার একবারও হারিয়ে যাওয়া হল না। চেষ্টা করলে সফল হতে পারত না তা নয়, আসলে সে কোনদিনই চেষ্টা করেনি। এর মধ্যে পশ্চিম আকাশে দেখল কতকগুলো সাদা বক উড়ে যাচ্ছে। সাদা বক! উড়ে যাওয়া সাদা বক ওর খুবই প্রিয় জিনিসের মধ্যে একটি। ছোট বেলায় দেখত বক শিকারীরা বক মারতে আসত। শিকারীরা বক মারার জন্য বিশেষ এক ধরণের পদ্ধতি ব্যবহার করত। প্রায় একফুট ব্যসার্ধের একটা খুপড়ি বানাত। খুপড়ির ভেতরে শিকারী অবস্থান করত। খুপড়িটি বানানো হত কলাপাতার আবরণে। এরকম দুইটা খুপড়িতে দুইজন অবস্থান করত। খুপড়ীর উপরের দিকে থাকত ফুটো। মাঝখানে একটা লাঠিতে একটি বা দুটি বক বেঁধে দোলানো হত। শিকারীরা বকেদের মত আওয়াজ করতে পারত। সেই বাঁধানো বক এবং আওয়াজ শুনে পাশের বাঁশ বাগান হতে অন্যান্য বকেরা আসত। এসে খুপড়ির উপরে বসত। আর ঠিক তখনই নীচ থেকে শিকারী বকটির পা টেনে ভিতরে ঢুঁকিয়ে নিত। ব্যাপারটা তাকে খুবই নাড়া দিত। খুব খারাপ লাগত তার। তার প্রিয় একটা জিনিস এভাবেই চোখের সামনে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে অথচ সে কিছুই করতে পারছে না ভাবতেই তার খারাপ লাগত। আজ সেই উড়ে যাওয়া সাদা বকদের দেখে সেই ছোটবেলার দিনগুলোর কথা মনে পড়ে গেল। সন্ধ্যা নেমে এল। চারিদিকে কোন লোকজন নেই। হালকা হালকা বাতাস বইছে। আকাশের মেঘগুলোকে এখন রক্তিম হলুদাভ লাগছে। সাদা বকের কথা ভাবতে ভাবতে কখন যে সাদা মেঘ অন্যরকম হয়ে গেছে তা সে খেয়ালই করে নি। এমন সময় ওর মনে হল কেউ তার পেছনে দাঁড়িয়ে আছে। দাঁড়িয়ে আছে একেবারে স্থির হয়ে। ব্যাপারটা মনে হতেই বহমান ঠান্ডা বাতাসে শরীরে হালকা কাঁপুনি খেলে গেল। গাঁয়ের লোমগুলো খাড়া হয়ে গেল। ধ্রুবর মনে প্রশ্ন জাগল সত্যিই কি কেউ দাঁড়িয়ে আছে নাকি তার মনের ভুল? একবার ভাবল ঘুরে দেখবে না, কে হয় হবে। কিন্তু এমনটি সে করতে পারল না। মানুষের মস্তিষ্ক অনেক সময় অনেক কাজ নিজে থেকেই করে ফেলে। কাজেই নিজের অজান্তেই ধ্রুব ঘাড় ঘুরিয়ে দেখল।...

Friday, January 3, 2014

ওয়েব ডিজাইন এর প্রাথমিক ধারণা

ওয়েব ডিজাইনের প্রধান ভিত্তি হল এইচটিএমএল। এইচটিএমল আসলে কি জিনিস তা জানার পূর্বে আমাদের প্রথমে জানতে হবে ওয়েব ডিজাইন কি? ওয়েব ডিজাইন বলতে বোঝায় ওয়েব পেজগুলোর ডিজাইন তৈরি করা। একটি ওয়েব সাইট তার ওয়েব পেজগুলো কিভাবে প্রদর্শন করবে তা কতকগুলো নির্দেশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। আর এইসব নির্দেশনা গুলোকে যে ভাষায় প্রকাশ করা হয় তাদের মধ্যে প্রাথমিক ভাষাটি হল এইচটিএমএল। এইচটিএমএল কে ওয়েব ডিজাইনের কঙ্কাল হিসেবে বিবেচনা করা যায়। কেননা এর মাধ্যমে ওয়েব পেজের বাহ্যিক কাঠামো নির্ধারণ করা হয়। বিস্তারিত জানার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করতে পারেন। লিংকটিতে একটি বই দেওয়া আছে। বইটির মাধ্যমে ওয়েব ডিজাইনের প্রাথমিক ধারণা পেতে পারেন। তবে আর বিশদভাবে জানতে হলে আপনি অবশ্যই এই ওয়েবসাইটটির সাহা্য্য নিন। 

Wednesday, November 13, 2013

তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক গ্রুপ ও ব্লগ

প্রিয় বন্ধুরা আশা করছি সবাই ভালো আছো। ব্লগে আসার জন্য প্রথমেই ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমি ব্লগটি তৈরি করেছি আমাদের সবার উপকারের জন্য। তোমরা হয়তো জেনে থাকবে ইতিমধ্যে আমি ক্লাসে সবাইকে এ ব্যাপারে বলেছি। ক্লাসে আমি তোমাদেরকে একটা প্রস্তাব দিয়েছিলাম। প্রস্তাবটা ছিল একটা তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক গ্রুপ তৈরি করার। তোমরা এ ব্যাপারে কি ভেবেছ কিংবা ভাবছ তা আমি জানিনা। তবে আমি অনেক কিছুই ভেবে ফেলেছি। এই ধর গ্রুপে আমরা তথ্য প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা তো করবই, সেই সাথে একাডেমিক বিষয়াবলী নিয়েও আলোচনা করব। এতে করে আমরা সার্বক্ষণিকভাবে পরস্পরের সাথে শেয়ার করতে পারব। ফলে আমরা একে অপরের কাছ থেকে সব বিষয় সম্পর্কে সাহায্য পাব। তাহলে কি হল! একদিকে আমরা তথ্য প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে এগিয়ে গেলাম আর অন্যদিকে একাডেমিক শিক্ষাটাও এগিয়ে গেল।

তোমাদের নিশ্চয়ই মনে আছে ক্লাশে একদিন আমাদের এক স্যার বলেছিল আমাদের নাকি কোন মেধা নেই। সত্যি কি নেই? যদি মেধা নেই তবে কেন আমাদের ইঞ্জিনিয়ার বানানোর চেষ্টা ওনারা করছেন। যাহোক ওদিকে আর না যাই। যা বলার তা হল আসো আমরা দেখিয়ে দিই যে আমরাও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চেয়ে কম নই। একটা ভর্তি পরীক্ষা নির্ধারণ করে দিতে পারে না কে মেধাবী কে মেধাবী নয়। ভর্তি পরীক্ষার সময় আমরা অনেকেই অসুস্থ ছিলাম। সেটা হয়তো শারীরিকভাবে এবং মানসিকভাবে। এখন কথা হল আমরা যদি উন্নত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মত সুবিধা পাই তাহলে আমরাও ভালো কিছু করে দেখাতে পারব। কিন্তু যেহেতু সেই সব সুবিধা আমাদের ভাগ্যে জুটবে না, কাজেই আমাদের নিজের থেকেই চালিয়ে যেতে হবে। তোমরা কি আমার সাথে একমত? যদি একমত হও তবে আমার সাথে প্লীজ যোগাযোগ কর। উপরে আমার মোবাইল নম্বর দেওয়া আছে। এখানেও দিচ্ছি: ০১৭৬৪৯৫৪২২৭। অথবা যোগাযোগ করতে পারো ফেসবুক কিংবা ইমেইলেও। উপরে দেখ আমার ফেসবুক ও জিমেইল আইডি দেওয়া আছে। এই পর্যন্ত যারা গ্রুপে যোগ দিতে চেয়েছে তাদেরও মোবাইল নম্বর দিয়ে দিয়েছি। তোমরা চাইলে তোমাদেরটাও উঠতে পারে।

উপকার: গ্রুপে অংশগ্রহণের উপকার কি? যদি এই প্রশ্নটা তোমাদের মনে উদয় হয়ে থাকে তবে আমি উত্তর হিসেবে বলছি এসো একবার গ্রুপটা তৈরি করেই দেখি। তখনই বুঝবে উপাকারি না অপকারি।

বি:দ্র: বামে যে লিংকগুলো দেখছ ওগুলো এখনো কার্যকরী নয়। ব্লগটির নির্মাণ কাজ এখনও শেষ হয়নি।